Getting old is not a problem (8)

“The Power of Positive Thinking: The Impact of K M Hasan Ripon’s “Practice Makes Perfect” Campaign”

In 2019, K M Hasan Ripon, a well-known Skill Activist, and change-maker initiated a campaign with a slogan that has now become renowned in Bangladesh. The slogan, “Practice Makes Perfect,” was the driving force behind the campaign and resonated with people from all walks of life. The slogan was in Bengali, “অনুশীলনে সবই সম্ভব“, which translates to “Practice Makes Perfect” in English.

Over the course of the campaign, Mr. Ripon traveled to more than 50 districts in Bangladesh, 7 countries in the world, and visited over 136 institutions, including public and private universities, polytechnics, general colleges, youth organizations, and corporates. This allowed him to connect directly with over 62,000 people and indirectly reach almost 28 million people through social media networks.

 

 

The non-resident Bangladeshis, who work in different countries across the globe, also supported the campaign and slogan, further spreading its reach and impact. Wherever Mr. Ripon goes for a seminar, workshop, or public speaking engagement, he is often requested to shout the slogan “অনুশীলনে সবই সম্ভব” together with the audience in his signature style.

The objective of this campaign was to develop a positive mindset among the people and spread positivity in the country. Through the slogan “Practice Makes Perfect”, Mr. Ripon encourages people to work hard and continuously improve themselves, promoting a can-do attitude and a drive for excellence. The impact of the campaign can be seen in the increased positivity and motivation in people across Bangladesh.

K M Hasan Ripon’s campaign and the slogan “Practice Makes Perfect (অনুশীলনে সবই সম্ভব)” has become a symbol of positivity and motivation in Bangladesh. The impact of the campaign continues to be felt, inspiring people to strive for excellence and reach their full potential.

IMG_E5677

প্রথম আলো- তারুণ্যের জয়োৎসব

প্রথম আলো গত ২৪ এপ্রিল রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে আয়োজন করেছিল তরুনদের জন্য জ্ঞান মেলা তারুন্যের জয়োৎসব। প্রায় ৫০০০ তরুন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্ত হয়েছিল এই আয়োজনে। বাংলাদেশের অন্যতম ক্যারিয়ার পোর্টাল Skill.Jobs তারুন্যের জয়োৎসবে আয়োজন করেছিল ব্যতিক্রমধর্মী কর্মশালা Meet the Career Doctor যেখানে আমি কে এম হাসান রিপন (নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট) আমন্ত্রিত অতিথী কর্মশালাটি পরিচালনা করি। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২৫০ জন তরুন অংশ নিয়েছিল সেই কর্মশালাটিতে। আমিও চেষ্টা করেছি গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে কর্মশালাটি পরিচালিত করবার।

কর্মশালাটি আয়োজনের পেছনে আমাদের উদ্দেশ্য ছিল, যে তরুন ঐ কর্মশালাটিতে অংশ নিতে এসেছিল, তাকে অন্তত এইটুকু ধারনা দেবার যেন এই প্রতিযোগীতামূলক সমাজে টেকসই ক্যারিয়ার গড়ার জন্য যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা দরকার সেগুলোর অনুশীলন প্রক্রিয়াগুলোর চিত্র তুলে ধরা। এক্ষেত্রে আমি বিশ্বব্যপী প্রশংসিত টুলস “Mind Map” কে সবার সামনে তুলে ধরেছি এবং কিভাবে ৩৬০ ডিগ্রী এ্যাংগেলে এই Mind Map কে ব্যবহার করা যায় সেটা সল্প পরিসরে হাতে কলমে শেখাবার চেষ্টা করেছি। আমি Mind Map এর মাধ্যমে ৬টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সবার সামনে নিয়ে এসেছি যে বিষয়গুলো টেকসই ক্যারিয়ার গঠনে অত্যন্ত জরুরী। বিস্তারিত ০১৭১৩৪৯৩২৪৩

IMG_5620

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিডিও বিজুমি তৈরির সেমিনার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের ক্যারিয়ারের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং কাঙখিত চাকরি বা উদ্যোক্তা উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব গত ১০ বছর তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। এই ক্লাবের ১০ বছর পূর্তিতে গত ২৩ এপ্রিল আয়োজন করা হয়েছিল দিনব্যাপী সিভি লিখন কর্মশালা। আমি কে এম হাসান রিপন (নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট) আমন্ত্রিত অতিথী বক্তা হিসেবে উক্ত সেমিনারে অংশগ্রহন করি। প্রায় ৩৫০ ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতে আমি ভিডিও রিজুমীর উপর আমার অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করি।

আমরা সবাই জানি বর্তমান সময়ে ভিডিও রিজুমি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন টুলস হিসেবে ব্যবহারিত হচ্ছে বিশেষ করে চাকরিদাতারা প্রায় চাকরি প্রত্যাশীদের কাছে তাদের ভিডিও রিজুমির লিংক দেখতে চান। কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের অধিকাংশ গ্রাজুয়েট ভিডিও রিজুমিকে তেমন একটা গুরুত্ব দেয় না। আমার বক্তব্যের শুরুতেই আমি তিনটি সেরা ভিডিও রিজুমির স্যাম্পল ভিডিও শেয়ার করি এবং উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের সেগুলোকে ভালোভাবে অবজারভ করার অনুরোধ করি। তারপর প্রশ্ন করে বের করার চেষ্টা করি, সেখানে কোন কোন বিষয়কে ১ মিনিটের মধ্যে ভিডিও রিজুমির মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।  আমার ৪০ মিনিটের উপস্থাপনায় আমি চেষ্টা করেছি ছাত্রছাত্রীদের বোঝাবার যে বর্তমান সময়ে ভিডিও রিজুমির গুরুত্ব এবং কেন একজন গ্রাজুয়েটের ভিডিও রিজুমি থাকাটা প্রয়োজন। আমার আলোচনায় আমি যে বিষয় গুলো উল্লেখ করেছি তা হলোঃ

১. ভিডিও রিজুমি ‍কি এবং কেন প্রয়োজন

২. কোন কোন বিষয়গুলো ভিডিও রিজুমিতে উল্লেখ করতে হয়

৩. কাদের জন্য ভিডিও রিজুমি বেশী প্রয়োজন

৪. চাকরিদাতা কেন ভিডিও রিজুমি দেখতে চায় এবং কিভাবে আমি আমার ভিডিও রিজুমি শেয়ার করবো বা কাভার লেটারে উল্লেখ করবো।

৫. একজন গ্রাজুয়েট কতো সহজে নিজেই ‍ভিডিও রিজুমি তৈরি করতে পারে এবং কোন কোন বিষয় আমাদের নজরে রাখতে হবে ভিডিও রিজুমি তৈরির সময়।

পরিশেষে আমি সকলের উদ্দেশ্যে অনুশীলনের বিষয়টির উপর নজর দিতে বলি কারন একমাত্র পরিমিত অনুশীলনের মাধ্যমেই আমরা অর্জন করতে পারি আমাদের কাংখিত ক্যারিয়ার। বক্তব্যের শেষে আমরা সবাই মিলে একসাথে চিৎকার করে বলি “Practice Makes Perfect

IMG_5368

৫০ জন তরুনদের নিয়ে কক্সবাজারে ১০ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান

যুক্তরাজ্যের দাতব্য সংস্থা ইউনাইটেড পারপাস (United Purpose), আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংগঠনের (IOM) আর্থিক সহায়তায় কক্সবাজারের উখিয়া জেলায় সামাজিক সমন্বয় বাস্তবায়নে একাধিক যুব ফোরাম গঠন করেছে। যার মূল লক্ষ্য হলো উখিয়ার বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিরসনে যুবদের প্রস্তুত করা যাতে তারা সংগঠিত হয়ে সমস্যা মোকাবেলার মাধ্যমে নিজেদের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সাধন করতে পারে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যুব ফোরামগুলো থেকে ৫০ জন উদীয়মান তরুনদের জন্য কক্সবাজারে ১০ দিন ব্যাপী “উন্নত কর্মসংস্থানের জন্য আইসিটি এবং কর্মদক্ষতা” শীর্ষক নিবিড় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করে। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমী উক্ত প্রকল্পের প্রশিক্ষন প্রদানকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল একাডেমীর পক্ষ হতে আমি কে এম হাসান রিপন (নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট), প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষন কার্যক্রম পরিচালনা করি এবং প্রশিক্ষণে সার্বিক সহযোগীতার জন্য সহকারী প্রশিক্ষক হিসেবে আমার সাথে কাজ করেছে জনাব সোমেন কানুংগ (প্রতিষ্ঠাতা, ডি ইঞ্জিনিয়ার্স ক্লাব)। 
৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীদের ২টি দলে (২৫+২৫) বিভক্ত করে ৫দিন করে মোট ১০ দিনের প্রশিক্ষণ প্রদান করি। আমাদের প্রশিক্ষণের মূল থিম ছিল ”শুধুই শুনবো না, করবো এবং অনুশীলন করবো”। এই পদ্ধতি অবলম্বনের ফলে আমাদের প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী হাতে কলমে কাজ শিখেছে এবং বাস্তবায়ন করেছে। 
পাচদিনের প্রশিক্ষনে আমরা মোট ৬টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি
১. মাইক্রোসফ্ট অফিস এ্যাপ্লিকেশন (ওয়ার্ড, এক্সেল এবং পাওয়ারপয়েন্ট)
২. উদ্যোক্তা হবার প্রারম্ভীক প্রস্তুতি (How to Generate Business Idea, How to make the idea into profitable Business, How to start the Business, What Legal preparation required, How to generate seed money for the business) 
৩. টেকশই ক্যারিয়ারের জন্য কর্মদক্ষতা 
আমরা আমাদের প্রশিক্ষণটি অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত Competency Based Training & Assessment মেথডকে অনুসরন করে পরিচালনা করেছি। এই মেথড ব্যবহারের মধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিদৃষ্ট বিষয়ে দক্ষতামান নির্ণয় করা সম্ভব হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে তার ফোরামের অন্য সদস্যদের অনুরুপ প্রশিক্ষন প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ করে তুলবে, এই প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ হয়ে ১০দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটে।