IMG_0796

লক্ষ্য অর্জনে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা | Accountability

 

আমরা লক্ষ্য নির্ধারন করি, লক্ষ্যকে পক্রিয়ার ভেতর ফেলবার চেষ্টা করি, লক্ষ্যকে খন্ডে খন্ডে বিভক্ত করি, লক্ষ্যকে জনসম্মুখে নিয়ে আসি কিন্তু জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে যদি বিন্দুমাত্র অবহেলা থাকে তাহলে লক্ষ্য অর্জনে বাধা আসতে পারে। লক্ষ্য অর্জনে বাধা হিসেবে সবচেয়ে যে শব্দটি বিষের মতো কাজ করে তা হলো গড়িমসি বা ইংরেজীতে যাকে বলে procrastination. ছোট বেলায় পরীক্ষার রুটিন আসার পর থেকে আমার মা সবসময় আমার পিছে লেগে থাকতেন যেন আমি সিলেবাস শেষ করার ক্ষেত্রে কোন গড়িমসি না করি। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আমি যে লক্ষ্য নির্ধারন করেছি সেটাও আমার গড়িমসির কারনে ব্যাহত হতে পারে। সেজন্য ব্যক্তিগত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা মানে হলো যিনি আপনাকে পদে পদে উপদেশ দেবেন, কোন কৌশল অবলম্বন করলে ভালো হয় সেটা বলে দেবেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোনটি আগে করা উচিৎ সেটা বলে দেবেন এবং কিভাবে অতি সহজে করা যার তাও দেখিয়ে দেবেন।

আমরা লক্ষ্য নির্ধারন করি, লক্ষ্যকে পক্রিয়ার ভেতর ফেলবার চেষ্টা করি, লক্ষ্যকে খন্ডে খন্ডে বিভক্ত করি, লক্ষ্যকে জনসম্মুখে নিয়ে আসি কিন্তু জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে যদি বিন্দুমাত্র অবহেলা থাকে তাহলে লক্ষ্য অর্জনে বাধা আসতে পারে। লক্ষ্য অর্জনে বাধা হিসেবে সবচেয়ে যে শব্দটি বিষের মতো কাজ করে তা হলো গড়িমসি বা ইংরেজীতে যাকে বলে procrastination. ছোট বেলায় পরীক্ষার রুটিন আসার পর থেকে আমার মা সবসময় আমার পিছে লেগে থাকতেন যেন আমি সিলেবাস শেষ করার ক্ষেত্রে কোন গড়িমসি না করি। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য আমি যে লক্ষ্য নির্ধারন করেছি সেটাও আমার গড়িমসির কারনে ব্যাহত হতে পারে। সেজন্য ব্যক্তিগত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা মানে হলো যিনি আপনাকে পদে পদে উপদেশ দেবেন, কোন কৌশল অবলম্বন করলে ভালো হয় সেটা বলে দেবেন, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোনটি আগে করা উচিৎ সেটা বলে দেবেন এবং কিভাবে অতি সহজে করা যার তাও দেখিয়ে দেবেন।

The Importance of Mentorship - ACAMS Today

ব্যক্তিগত জবাবদিহিতায় কাদের পাশে রাখতে পারেনঃ


১. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রথমেই আমরা মা বা বাবার শরণাপন্ন হতে পারি। কারন মা, বাবা তাদের লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য অনেক কৌশল অবলম্বন করেছেন যা সবসময়ই চিরসবুজ। মা, বাবার পরামর্শ সবসময়ই কাজে আসে কারন তারা ঐ পথে ইতিমধ্যেই হেটেছেন।

২. দ্বিতীয়ত মেন্টরশীপ একটা বিরাট ভূমিকা থাকতে পারে। মেন্টর মানে হলো কোন একটি সেক্টরের বিশেষজ্ঞ যিনি অন্তত ৫ বছর আপনার পছন্দের সেক্টরে টানা কাজ করেছেন এবং এখন অন্য সেক্টর হলেও যিনি এখনো সক্রিয় আছেন। যিনি নিজেকে টেকসই করবার জন্য অনেক ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছেন, অনেক চ্যালেঞ্জ মুখোমূখী হয়েছেন। তবে মেন্টর বাছাই করবার ক্ষেত্রে অবশ্যই দেখতে হবেঃ

  • যাকে মেন্টর হিসেবে বেছে নেবেন তার মূল্যবোধ সম্পর্কে আপনার ধারনা থাকতে হবে। আপনার এবং তার মূল্যবোধ যদি এক না হয় তাহলে আপনার লক্ষ্য অর্জনে তিনি তেমন কোন কাজে নাও আসতে পারে।
  • যোগাযোগের ক্ষমতা অবশ্যই ভালো হতে হবে। কারন দেখা গেছে নিজে অত্যন্ত সফল কিন্তু আরেকজনকে পথ দেখাবার জন্য অথবা নিজের বাস্তবিক অভিজ্ঞতা বুঝিয়ে বলবার দক্ষতা তেমন একটা নেই।
  • মানসিকভাবে পরামর্শ দেবার জন্য প্রস্তুত কিনা অথবা সম্মতি আছে কিনা সেটাও দেখে নিতে হবে। কারন হয়তো তিনি বাহ্যিক সম্মতি দিয়েছেন কিন্তু মানসিক ভাবে সম্মতি দেননি। আর সেজন্য লক্ষ্য নির্ধারনের যে সময়সীমা আপনি নিজেই নিজেকে দিয়েছেন সেটা বিলম্ব হবে।বিশ্বাস করুন বা না করুন, একজন পরামর্শদাতা বেছে নেওয়ার সময় ব্যক্তিত্ব অবশ্যই বিবেচনা করার মতো বিষয়। আপনি যদি একজন অন্তর্মুখী হন এবং আপনার সম্ভাব্য পরামর্শদাতা যদি বিপরীত হন, আপনি অস্বস্তি বোধ করতে পারেন।

৩. অনেক সময় পরামর্শক ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আপনাকে পরামর্শ দিতে ব্যর্থ হন। সেক্ষেত্রে কোচ বা প্রশিক্ষক আপনার লক্ষ্য নির্ধারন এবং বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা পালন করতে পারেন। কারন কোচিং বা প্রশিক্ষন দেবার জন্য তারা বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত হয়ে থাকেন। তবে কোচিং বা প্রশিক্ষন নেবার জন্য আপনাকে কিছুটা বিনিয়োগ করতেই হবে এবং এ সত্যটি আপনাকে মানতেই হবে। একজন খেলোয়ার তার সেরা খেলাটি দর্শকদের উপহার দেবার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কোচের শরনাপন্ন হন। ঠিক একইভাবে প্রফেশনাল হবার জন্য একজন কোচের অধিনে কিছুদিন থাকা মানেই হলো ব্যক্তিগত জবাবদিহিতা নিশ্চিত থাকা।

Teaser-67

এগিয়ে যেতে ”প্রশ্ন করুন”

লক্ষ্য নির্ধারন বা স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রশ্ন করতে হবে। প্রশ্ন করতে হবে বোঝার জন্য, জানার জন্য, মেনে চলার জন্য। আমরা অনেকেই প্রশ্ন করতে পারি না বা প্রশ্ন করতে একধরনের লজ্জাবোধ করি। অথবা প্রশ্ন করার অভ্যাস আমাদের মধ্যেই নেই। কিন্তু পৃথিবীতে অনেক নজির আছে যে একটি প্রশ্ন সম্পূর্ণ জীবনকে বদলে দিয়েছে। তবে এমনভাবে প্রশ্ন করতে হবে যেন উত্তরদাতা শুধুমাত্র হ্যা বা না এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে উত্তর দিতে না পারেন। ঠিক যেমনভাবে চিকিৎসকরা করে থাকেন রোগীর উপসর্গ জানার জন্য। চিকিৎসকের প্রশ্নগুলোকে বলা হয় ডায়াগনস্টিক প্রশ্ন যার মানে হলো গভীরে ঢুকে উত্তর বের করা। সাধারনত এই ডায়াগনস্টিক প্রশ্নকে আবার অধিকাংশ মানুষ 5W1H বলে জানি। কি (What), কেন (Why), কোথায় (Where), কখন (When), কে (Who) এবং কিভাবে (How).

কি করা উচিত? (What)

এটি করার উদ্দেশ্য কী? (What)

আরও কিছু কি করার আছে? (What)

লক্ষ্য পূরণের জন্য কোথায় রিসোর্স পাবো? (Where)

কখন এগিয়ে যাওয়ার সময়? (When)

কে আমাকে সাহায্য করতে পারেন? (Who)

কেন তারা আমাকে সাহায্য করবে? (Why)

কেন আমি এই কাজ করব? (Why)

তারা আমাকে কীভাবে সাহায্য করবে? (Who)


লক্ষ্য নির্ধারন এবং বাস্তবায়নের সময় যদি প্রতিনিয়ত ডায়াগনস্টিক প্রশ্ন করা যায় এবং বিভিন্ন অভিজ্ঞ মানুষদের কাছ থেকে উত্তর সংগ্রহ করা যায় তাহলে লক্ষ্য নির্ধারন এবং বাস্তবায়নে কেউ আটকাতে পারে না। এই ডায়াগনস্টিক প্রশ্নের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কেন (Why)?জাপানের বিখ্যাত ব্যবসায়ী কিচিরো টয়োডা বলেছিলেন কোন সমস্যা বা কোন ধরনের লক্ষ্য নির্ধারনের জন্য যদি অন্তত পাঁচবার কেন (Why) জীজ্ঞেস করা হয় তাহলে সে ঐ সমস্যার বা লক্ষ্যের কেন্দ্রতে পৌছতে সক্ষম হয়। তাই আপনার লক্ষ্য নির্ধারন এবং বাস্তবায়নের জন্য বারবার ডায়াগনস্টিক প্রশ্ন করুন যার উত্তর কেউ কোনদিন শুধুমাত্র হ্যা বা না দিয়ে শেষ করতে পারবে না।

বন্ধুরা সঠিকভাবে সঠিক প্রশ্ন করবার কাজটি হয়তো প্রথমে অনেক কঠিন মনে হবে কিন্তু মনে রাখতে হবে নিয়মিত অনুশীলন করলে সবকিছুই সম্ভব করা যায়। কারন আমি বিশ্বাস করি 

অনুশীলনে সবই সম্ভব | Practice makes everything perfect


লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট

Teaser-68

নিজের সাফল্যে নিজেই উদযাপন করুন

কখনও নিজের সাফল্যে নিজেই উদযাপন করেছেন? আমি প্রায়ই নিজের ছোট কোন সাফল্যকে উপেক্ষা করতাম বৃহৎ কোন সাফল্যের আশায়। এটা খেয়াল করে আমার এক বড় ভাই আমাকে বললেন বড় সাফল্যে ক্ষুদ্র সাফল্যকে উপেক্ষা করছো? এটা একদম ঠিক নয়। আমার বড় কোন স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবার জন্য ছোট ছোট লক্ষ্যে ভাগ করে ফেলি এবং এটাই স্বাভাবিক অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যর্থতার সংখ্যাই বেশী থাকে। কিন্তু হঠাৎ করে আসা ছোট একটি সাফল্যকে যদি কাছের মানুষদের সাথে নিয়ে উদযাপন করা যায় তাহলে মানসিকভাবে একধরনের শক্তি বৃদ্ধি পাওয়া যায়। কোন কিছুকে ভালোবাসার পর যদি সেটা অর্জন করা যায় তাহলেই কেবলমাত্র উদযাপন করা সম্ভব। ধরুন কোন একটি লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য আপনাকে প্রতিদিন সকালে ঘুম উঠে ব্যায়াম করতে হয়। সকালে ঘুম থেকে ওঠার জন্য আপনি রাতে ঘড়িতে এলার্ম সেট করে রাখেন। কিন্তু সকালবেলা এলার্ম বেজে উঠলেই আপনার বিরক্ত লাগে। এর মানে হতে আপনি আপনার লক্ষ্যটি বাস্তবায়নের জন্য শুরুতেই যে ফর্মূলার কথা বলেছিলাম সেটি ঠিক মতো ব্যবহার করতে পারেন নি। ফর্মূলাটি ছিলো ”কেন-কারন”। লক্ষ্য নির্ধারনের আগে কেন আপনি লক্ষ্যটি নির্ধারন করতে যাচ্ছেন এবং এর যথার্থ কারন আপনার কাছে থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে অসংখ্যবার আপনি ব্যর্থ হচ্ছেন এবং যতবার আপরি ব্যর্থ হয়েছেন কেন এবং কারন বের করে আবার নেমে পড়লেন। এবার যখন সাফল্য এলো তখন কেউ প্রশংসা না করলেও আপনি নিজেকে নিজেই একটা সাবাসী দিয়ে দেন। দেখবেন অন্যরকম লাগবে। আমি যখন ঠিক করলাম আমি একটি আর্টিক্যাল লিখবো এবং সাথে প্রতিটি প্যারার জন্য একটি করে ভিডিও বানাবো তখন আমি আমি আমাকেই প্রশ্ন করলাম কেন? এবং কারন বের করলাম। তারপর কয়েকজনের সাথে ফোনে কথা বললাম, বেশ কিছু আর্টিক্যাল পড়লাম, মেন্টরের সাথে পরামর্শ করলাম। তারপর সময় নির্ধারন করে নেমে পড়লাম। এখন আমি আর্টিক্যালটির একদম শেষে চলে এসেছি এবং একধরনের অন্যরকম আনন্দবোধ করছি। কারন নতুন একটি আর্টিক্যাল লিখবো এবং সেই সাথে আর্টিক্যালটিকে ভিত্তি করে ভিডিও বানাবো, এই খুশিতে গত তিনদিন আমি একটানা কাজ করেছি। এই যে এতো আয়োজনের শেষে যখন পাবলিশ করবো আমার সোস্যাল সাইটে তখন পাঠকরা হয়তো পড়বেন বা পড়বেন না কিন্তু আমার উদযাপন কিন্তু চলতেই থাকবে যা আমাকে পরবর্তী আর্টিক্যাল লেখায় অনুপ্রেরনা যোগাবে।

অনুশীলনে সবই সম্ভব | Practice makes everything perfect


লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট


Teaser-69

আপনার লক্ষ্যকে প্রকাশ্যে ঘোষনা করুন!

২০১৫ সালের একটি ঘটনা। কোন একটি ক্লাবের মিটিংয়ে আমার একটি লক্ষ্যের কথা ঘোষনা করে দিয়েছিলাম। বিষয়টি ছিলো এমন যে আমরা পরিকল্পনা করছিলাম যে সদ্য গ্রাজুয়েটদের জন্য একটি জব ফেয়ার আয়োজন করবো। যেখানে চাকরি প্রত্যাশী এবং চাকরিদাতারা একসাথে মিলিত হবেন। এই ঘোষনা দেবার পর ঐ মিটিংয়ে উপস্থিত একজন সদস্য মিটিং শেষে আমার কাছে এসে বিস্তারিত জানতে চাইলেন এবং ভেন্যু সহ আরো অন্যান্য সহযোগীতার আশ্বাস দিলেন। পরবর্তীতে আমি আমার ফেসবুক এবং লিংকডইনের বন্ধুদের মাঝেও আমার পরিকল্পনা শেয়ার করি। এর ফলে যা হলো আমার লক্ষ্যকে আমি একধরনের স্পট লাইটের মধ্যে দেখতে পেলাম। এই গন প্রচারণা আমার যেকোন লক্ষ্যকে বাস্তবায়নে খুব সহযোগীতা করে। কয়েকটি জিনিস ঘটে এই গন প্রচারণার মাধ্যমেঃ

  • আপনি সচেতন থাকেন লক্ষ্যটি বাস্তবায়নের জন্য
  • এক ধরনের অটো এলার্ম কাজ করে
  • যাদের সাথে শেয়ার করলেন তারা আপনাকে স্মরন করিয়ে দেয়
  • অনেকেই আপনাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন

অনেকভাবেই আপনি পাবলিক এ্যানাউন্সমেন্ট বা গন প্রচারণা করতে পারেন। আপনার নিজের পরিবারের সদস্যদের জানাতে পারেন, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের জানাতে পারেন, কোন ক্লাব মেম্বারদের জানাতে পারেন। অনেকে আবার সোস্যাল প্ল্যাটফরমকেও ব্যবহার করেন। পাবলিক এ্যানাউন্সমেন্ট বা গন প্রচারণা করবার আগে আপনাকে নিজেকে প্রশ্ন করতে পারেন আপনি কাদের কাছে আপনার লক্ষ্যের কথা শেয়ার করবেন বা কতটুকু শেয়ার করবেন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবেঃ

  • সম্পূর্ণ সিমেনার গল্প শুধুই আপনি বা আপনার লক্ষ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট মানুষেরা জানবেন আর বন্ধুরা জানবে এর ট্রেলার
  • পাবলিক এ্যানাউন্সমেন্টে যাবেন তখন অবশ্যই নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করতে হবে। যেমন আমি আগামী ১০ দিনের মধ্যে দুটি কমিউনিকেশনের উপর কোর্স সম্পন্ন করবো।

অনুশীলনে সবই সম্ভব | Practice makes everything perfect


লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট


Teaser-70

লক্ষ্যকে অর্জনের জন্য পক্রিয়ার মধ্যে ফেলতে হবে

যেকোন লক্ষ্য অর্জনের জন্য পক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। উপরের আলোচনায় আমরা ইতিমধ্যেই আমাদের লক্ষ্যকে নির্ধারন করেছি এবং এই লক্ষ্যকে অর্জনের জন্য একটি ছক বা তালিকা তৈরি করেছি। লক্ষ্য নির্ধারন এবং বাস্তবায়নের জন্য যেমন আমাদের প্রয়োজন ছিলো কি হতে চাই, কেন হতে চাই, কত দিনের মধ্যে হতে চাই। ঠিক তেমনি এই পর্যায়ে আমাদের আরো তিনটি প্রশ্নে উত্তর বের করতে হবে। প্রথমেই যেহেতু আমরা বছরকে তিন ভাগে ভাগ করেছি এবার আমাদের বের করতে হবে
  • ধাপে ধাপে কি অর্জন করবো (What is the next Step)?
  • ধাপটি কখন শেষ করবো (When this step will complete)? এবং
  • ধাপটি সম্পন্ন করতে রিসোর্স কোথায় আছে? (Where are the resources)?

আমরা শৈশবে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রুটিন মেনে চলতাম। ক্লাসের জন্য রুটিন থাকতো এবং সেই রুটিন অনুযায়ী আমরা ক্লাসের প্রস্তুতি নিয়ে থাকতাম। তারপর পরীক্ষার সময়ে আমরা একটি রুটিন পেতাম এবং সে অনুযায়ী পরীক্ষার প্রস্তুতি চলতো। ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টের এই পর্যায়েও আমাদের রুটিন তৈরি করতে হবে।

ধাপে ধাপে কি অর্জন করবো (What is my next Step)?আমি কমিউনিকেশনের উপর একটি অনলাইনে কোর্স করবো
ধাপটি কখন শেষ করবো (When this step will complete)?সময় লাগবে ৭ দিন (প্রশিক্ষন) এবং ৮ দিন ব্যবহারিক এবং ১৫ দিন শেষে অনলাইন সার্টিফিকেট অর্জন করবো
ধাপটি ধাপটি সম্পন্ন করতে রিসোর্স কোথায় আছে? (Where are the resources)?বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফরম যেমন GoEdu.ac, Google Garage বা Coursera বা LinkedIn Learning থেকে কমিউনিকেশন কোর্স সম্পন্ন করবো। তারপর ফেসবুক এবং লিংকডইন ব্যবহার করে অন্তত ৫ জন প্রফেশনালদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করবো।

আমরা সবাই জানি মাসে চার সপ্তাহ এবং বছরে ৫২ সপ্তাহ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা খুব সহজেই আমাদের প্রতিটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটা নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার মেইনটেইন করতে পারি। খুব সহজেই আমরা ল্যাপটপে বা মোবাইলের মাধ্যমে সেট করতে পারি কোন লক্ষ্যটি কতদিনের মধ্যে শেষ করবো। এই অনলাইন ক্যালেন্ডার বা টাস্ক ট্র্যাকার আমাকে এলার্ম বা ইমেইল নটিফিকেশনের মাধ্যমে মনে করিয়ে দেবে আমার কোন কাজটি কখন করতে হবে। অনেকে আবার ক্যালেন্ডারে টাস্কগুলোকে সাজিয়ে প্রিন্ট করে নিজের টেবিলের সামনে রেখে দেন অথবা স্টিকি নোট হিসেবে নিজের ল্যাপটপের হোম স্ক্রিনে রেখে দেন। তবে যেভাবেই করি না কেন আমার চোখের সামনে আমার এ্যাকশন প্ল্যান থাকাটা অত্যন্ত জরুরী।

অনুশীলনে সবই সম্ভব | Practice makes everything perfect


লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট

Teaser-71

একটি লক্ষকে সামনে রেখে পরিকল্পনা

মানুষ কে যখন জিজ্ঞেস করা হয় তোমার টার্গেট কি? সে তখন কোনো চিন্তা ভাবনা ছাড়াই অনেক বড় একটা লিস্ট সামনে নিয়ে আসে এবং যখন বলা হয় কতদিনের মধ্যে এগুলো অর্জন করবে তখন চুপ করে ভাবতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের কোনো লক্ষ্য এবং লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা থাকেনা।

১৯৭৯ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ প্রোগ্রামের ছাত্রছাত্রীদের জিজ্ঞেস করা হলো তোমাদের কার কার কর্মক্ষেত্রের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করেছো?

১) ৮৪% তরুনদের কোন লক্ষ্যই ছিলোনা

2) ১৩% তরুনদের লক্ষ্য ছিলো এবং সেটা কাগজে তোলা ছিলো তবে বাস্তবায়নের জন্য কোনো পরিকল্পনা ছিলোনা

৩) ৩% তরুনদের লক্ষ্য ছিল, কাগজে সুন্দর করে লেখা এবং বাস্তবায়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল।


১০ বছর পর সেই তরুণদের সাথে আবার কথা বলা হলো এবং দেখা গেলো ১৩% তরুন যাদের লক্ষ্য ছিলো এবং সেটা কাগজে তোলা ছিলো, তারা ৮৪% তরুণ যাদের কোনো লক্ষ্যই ছিলোনা তাদের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ উপার্জন করছে। আর ৩% তরুন যাদের লক্ষ্য ছিল, কাগজে সুন্দর করে লেখা এবং বাস্তবায়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল, তারা যে অর্থ উপার্জন করছে সেটা ৯৭% তরুণদের সমপরিমাণ অর্থ। চিরন্তন সত্য হলো জীবনকে রাঙাতে হলে রাঙানোর পরিকল্পনা করতে হবেই। বন্ধুরা আপনারা যারা এখনও লক্ষ্য নিয়ে ভাবা শুরু করেননি তাদেরকে অনুরোধ করবো শুরু করে দিন।

অনুশীলনে সবই সম্ভব | Practice makes everything perfect


লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট

Teaser-72

আমারই ভুল ছিল

আমরা আমাদের সাফল্যের জন্য ক্রেডিট পেতে আগ্রহী। আমাদের যখন জিজ্ঞেস করা হয় সাফল্যের কারণ তখন একধরণের আনন্দ থেকে নিজের অভ্যন্তরীণ কারণগুলি যেমন আমরা কতটা চেষ্টা করেছি, আমাদের দক্ষতা এবং আমাদের অভিজ্ঞতাকে কৃতিত্ব দিয়ে থাকি।

অন্যদিকে ব্যর্থতা এমন একটি জিনিস যা আমরা কখনও স্বীকার করতে চাই না। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মানুষ সাধারণত নিজের ব্যর্থতার জন্য ভাগ্য বা কাজের অসুবিধা বা অন্যের দিকে আঙুল প্রদর্শন করার মতো বাহ্যিক কারণ গুলিকেই ব্যর্থতার অন্যতম কারণ হিসেবে বেছে নেন।

আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মানুষ কোনও কাজে সাফল্য পাবার পর তার ভেতর একধরণের ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় যা তাকে উদার এবং অন্যেকে সাহায্য করবার মানসিকতা দেয়। আর যদি প্রথমে কোনও কাজে ব্যর্থতা আসে তবে নেতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি পায় যা আমাদের উদারতাকে কমিয়ে দেয় ফলে আমরা অন্যকে সাহায্য করতে চাই না।

মূল যে বিষয়টি বলবার চেষ্টা করা হয়েছে গবেষণাতে তা হলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা ভুল করলেও নিজের ভুল স্বীকার করতে চাই না যা আমাদের ভুল সংশোধনের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা বলে মনে করেন বেশীরভাগ গবেষক। “আমারই ভুল ছিল” এই ছোট্ট বাক্যটির গুরুত্ব অনেক। যেদিন আমি এই ছোট্ট বাক্যটি মন থেকে বলতে পারবো সেদিন থেকেই অনেক ভুল আর আমার ভেতর থাকবে না। এমনটাই লিখেছেন “Being Wrong” বইয়ের লেখক ক্যাথরিন শুল্জ।

অনুশীলনে সবই সম্ভব | Practice makes everything perfect


লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট


Teaser-73

হিংসা একটি রোগের নাম


“হিংসা একটি রোগের নাম কিন্তু আনন্দের খবর হচ্ছে এর প্রতিশেধক পাওয়া যায় বিনামূল্যে!”

মানুষের ভেতরে সবচেয়ে দ্রুত জন্ম নেয় হিংসা। বিশেষজ্ঞরা হিংসাকে আত্মার রোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একটি হাদিস আমার চোখে পড়েছে (যদিও রেফারেন্স খুঁজে পাইনি এখনও), যেখানে আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা:) হিংসাকে আগুনের সাথেও তুলনা করেছেন। হিংসা থেকে সাবধান থাকতে বলেছেন। তিনি বলেছেন আগুন কাঠকে যেমন ধ্বংস করে তেমনি এটি ভাল কাজের ক্ষতি করে।

হিংসার সম্পর্কটা সবচেয়ে মজবুত অন্যের ভালোর সাথে। আমার কোনো একটি দক্ষতা আছে এবং এই দক্ষতাকে ব্যবহার করে আমি অনেক বড় বড় কাজ করতে পারি কিন্তু আমার নিজের গড়িমসির কারণে করতে পারছিনা। অপর দিকে একই দক্ষতা নিয়ে আমার বন্ধু অনেক উচ্চতায় চলে গেছে। এখন আমার নিজের উপর রাগ হওয়া শুরু হয়েছে। আমি কোনো ভাবেই আমার এই ব্যর্থতা মেনে নিতে পারছিনা। নিজের কাছেই নিজে লজ্জিত হচ্ছি প্রতিদিন। এই পর্যন্ত ঠিকই আছে। এর পরের ধাপে যেটি দরকার ছিল তা হলো অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ শুরু করে দেয়া। কিন্তু অনুপ্রেরণার পরিবর্তে শুরু হয় হিংসা সেটি মারাত্মক এবং প্রতিদিন নতুনভাবে আমরা নিজের অজান্তেই হিংসাকে অনুশীলন করছি। আর যেহেতু অনুশীলন সবকিছুই নিখুঁত করে তাই প্রতিদিনই আমরা হিংসাকে শ্রেষ্ঠ লেভেলে নিয়ে যাচ্ছি। বিশেষজ্ঞদের মতে কয়েকটি লক্ষন যা দেখে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোনো ব্যাক্তির ভেতর হিংসার জন্ম নিচ্ছে কিনা যেমন:

১) আপনার সাফল্যের কথা হচ্ছে হটাৎ কেউ আপনাকে থামিয়ে দিলেন এবং ইচ্ছাকৃতভাবে টপিক পরিবর্তন করে ফেললেন।

২) নকল প্রশংসা করলেন। একটু মনোযোগ দিয়ে শুনলেই আপনি বুঝতে পারবে। কারণ তিনি উন্মুক্ত হাসির ব্যবহার করতে পারছেন না।

৩) আক্রমণাত্মক মন্তব্য করছেন যাতে আপনার মন ভেঙে যায়।

৪) হটাৎ থামিয়ে নিজের সাফল্যের কথা উল্লেখ করছেন।

৫) আপনার সাফল্যের জন্য কিছু ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

৬) আপনাকে অস্বস্তিকর প্রশ্ন জিজ্ঞেস করছেন।

৭) আপনার অগ্রগতি এবং অর্জনগুলিকে ছোট করে দেবার চেষ্টা করছেন।

আগেই বলেছি হিংসা একটি মারাত্মক রোগ যা মানুষকে মানুষের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। আর মানুষ কখনো মানুষের সাহায্য ছাড়া সামনে এগুতে পারে না। এক্ষেত্রে আমরা যেটি অনুশীলন করতে পারি তা হলো “অন্যের সাফল্যে অনুপ্রেরণা খুঁজে পাওয়া”। আলহামদুলিল্লাহ এবং মাশাআল্লাহ দুটি খুব পাওয়ারফুল শব্দ যার ব্যবহারে নিজেকে হিংসা থেকে বাঁচিয়ে রাখা যায়।

অনুশীলনে সবই সম্ভব | Practice makes everything perfect


লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট

আত্মমূল্যায়ন

নিজের রুপান্তরের জন্য আত্মমূল্যায়ন কিভাবে করবো?

 

আত্মমূল্যায়ন সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে যার কারণে অফুরন্ত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত কাজের সুযোগগুলি নষ্ট হয়ে যায়। আমি এই ব্লগের মাধ্যমে বেশ কিছু চেকলিষ্ট তৈরি করেছি। আশাকরি আপনারা যারা এই ব্লগটি পড়তে বসেছেন তারা কষ্ট করে দরজা জানালা বন্ধ করে সততার সাথে প্রত্যেকটি ফর্ম পূরন করবেন এবং খুঁজে দেখবার চেষ্টা করবেন কোন জায়গায় আপনার উন্নতি করতে হবে।

নির্দেশনা: পঠককে তাদের আত্মমূল্যায়ন সততার সাথে করতে হবে এবং এটি অন্যের কাছ থেকে সম্পূর্ণ গোপন রাখবেন। আত্মমূল্যায়ন থেকে যে ফলাফল বের হলো সে অনুযায়ী নিজের দক্ষতা উন্নয়নের পরিকল্পনা করবেন। মনে রাখবেন আত্মমূল্যায়ন সম্পূর্ন নিজের ব্যক্তিউন্নয়ের জন্য অতএব নিজের সাথে প্রতারনা করা উচিৎ হবে না।

Please select the following skills you have:

নীচের ছকটিতে বেশ কিছু দক্ষতা নাম দেওয়া আছে, আপনি যদি মনে করেন সবগুলো আপনার ভেতর আছে তাহলে ”হ্যা” ঘরে টিক দিন অথবা “না” ঘরে।
Your Skills Yes No
Communication    
Technical    
Leadership    
Organizational    
Creative & Design    
People Skills    
Solving Problems    
Physical Abilities    

Please assess you honestly

নীচের ছকটিতে বেশ কিছু দক্ষতা নাম দেওয়া আছে, আপনি ১ থেকে ৫ এর ভেতর নিজেকে কত দেবেন? ১ হলো সর্বনিন্ম এবং ৫ হলো সর্বোচ্চ
Category 1 2 3 4 5
How would you rate your communication skills?          
How would you rate your leadership skills?          
How would you rate your organizational skills?          
How would you rate your creative and design skills?          
How would you rate your people skills?          
How would you rate your problem-solving skills?          
How would you rate your physical abilities skills?          

Please rate your skills or qualities below:

নীচের ছকটিতে বেশ কিছু দক্ষতা নাম দেওয়া আছে, আপনি কোনটিতে কেমন সেটি নির্ধারন করুন
  Excellent Very Good Good Poor Very Poor
Team Player skills          
Able to communicate effectively          
Excellent writing skills          
Listening attentively and open for communication          
Able to speak and talk to a large audience          
Help others who are in need          
Able to influence others          
Good decision-making skills          
Ownership and accountability          
Able to deliver his/her thoughts properly          
Leadership abilities          
Commitment to the assigned task          
Promote a supportive environment          
Participate in team activities          
Encourage others if needed          
Interested in learning new things          
Open for feedback and suggestions          

Please rate your character/nature/trait below:

নীচের ছকটিতে বেশ কিছু দক্ষতা নাম দেওয়া আছে, আপনি মতামত উল্লেখ করুন
  Strongly Agree Somewhat Agree Strongly Disagree
Analytical and Logical      
Dependent      
Initiative      
Confidence      
Responsible      
Persuasive      
Simple      
Efficient      
Humor      
Punctual      
Dedicated      
Never Give up      
Friendly      
Empathetic      
Helping others      
Know how to delegate      
Reliable      

Assessment for Workplace Reediness

নীচের ছকটিতে বেশ কিছু দক্ষতা নাম দেওয়া আছে, আপনি যদি মনে করেন সবগুলো আপনার ভেতর আছে তাহলে ”হ্যা” ঘরে টিক দিন অথবা “না” ঘরে।
 Category Yes No
The power of interest or will (Passion) Are you really ready to work hard at work? Everyone knows that the workplace means that there is no place for emotions alone. Can you adapt?    
Goal setting Have you completed the overall vision and set clear goals for your career? Are you determined to achieve your goals through all your efforts?    
Decision making When you are faced with a difficult situation, are you able to keep a calm down and make an important decision on your own by gathering enough information without passing the problem or imposing it on someone else?    
Taking Risk There is no work that is completely risk free. There is always the risk of failure in the job market. Are you aware of these risks and do you believe that you too can fail at work? Do you have enough information so that you can accurately estimate how big a risk you are going to take?    
Ability to handle stress Tough decisions, competition in the workplace, bitter experiences in communicating with customers, and long-term work can be stressful. Can you maintain a positive attitude in the face of such pressures? Do you see your potential in the workplace at such a difficult time?    
Saving Habit Do you have a tendency to accumulate money?    
Good Human Relation Do you feel comfortable building relationships with new people? Do you start talking on your own? Do you appreciate the good qualities of others? Can you accept if someone criticizes you? Can you protect the privacy of others?    
Problem Solving If you see a problem, can you solve the problem by finding the right solution without complaining?    
Did you summarize all you formal or informal experiences    

Take a look at some of the following things you haven’t done yet

নীচের ছকটিতে বেশ কিছু দক্ষতা নাম দেওয়া আছে, আপনি যদি মনে করেন সবগুলো আপনার ভেতর আছে তাহলে ”হ্যা” ঘরে টিক দিন অথবা “না” ঘরে।
Category Yes No
Do you have a smart career plan (Specific, Measurable, Actionable, Realistic, Within Timeline)    
You have a full idea of ​​at least the 20 organizations you want to work in    
Do you know job market structure, hierarchy / organogram, company types, business process, employment types and requirements?    
Have you already met at least 20 famous HR professionals in Bangladesh?    
Can you create a personal website through Google site or Have you already created one?    
Did you manage your LinkedIn profile properly? Did you properly organize your LinkedIn profile (creating headlines, profile photo, experiences, skills, recommendations etc.)?    
Can you use Google Form, Google Drive, Google Calendar, Google meet, Zoom?    
Did you upload your video resume to your YouTube channel?    
Do you have video resume    
Have you had your CV verified by an experienced professional?    
Can you use your smartphone properly?    
Can you use MS Office properly?    
Do you have full knowledge of Online Meeting Place etiquettes?    
Do you have any light software editing skills (Such as Photo Editing, Video Editing, etc.)?    
Do you have administrative skills such as printer machine, FAX, handling telephone, sending an official email, sending SMS, using WhatsApp, official file management?    
Do you have skills in Business Communication tools like drafting official letters, sending official emails, drafting office memo, preparing meeting agenda and meeting minutes, developing a proposal, preparing financial budgeting?    

What were your activities and achievements in the past 1 year?

           
What areas of your work you think you could improve on?
           
What are the skills or knowledge you would like to enhance?
             
What are your goals for working in the company as fresh executive?
             
What are your strengths and weaknesses? How will you overcome them?
           
What are your Opportunities and Threats? How will you overcome them?
           

ফর্মগুলো পূরন করে গিয়ে যদি কোন সমস্যার সম্মেখিন হন বা কোন বিষয় বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে আমাকে ইমেইল করন বা কমেন্টে করে জানান, আমি চেষ্টা করবো সমাধান দেবার জন্য।


লেখকঃ কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বিএসডিআই

যে কারনে কাজ প্রত্যাশীরা নজর কাড়তে পারছেন না

যে কারনে কাজ প্রত্যাশীরা নজর কাড়তে পারছেন না!

সবাই কাজ খুঁজছে, কাজ করছে এবং করতেই থাকবে। এটাই জগতের নিয়ম। এরই মধ্যে কেউ কাজ পাবে কেউবা অপেক্ষায় থাকবে। অনেকেই নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কাঙ্খিত কাজ পেয়ে যাবেন। ক্যারিয়ারে গিফ্ট বা উপহার বলে কোন শব্দ নেই এবং পৃথিবীর কোথাও এর প্রচলনও নেই। কারো সমস্যার সাথে নিজের জ্ঞান, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং আচরন মেলাতে পারলেই কাঙ্খিত কাজের সন্ধান মিলে যায়। এজন্য কার কি সমস্যা সেটি জানা যেমন প্রয়োজন (কাজ প্রত্যাশীর দায়িত্ব) তেমনি যার সমস্যা তার কাছে কাজ প্রত্যাশীর জ্ঞান, দক্ষতা এবং আচরনের খবরটিও পৌছানো দরকার (কাজ প্রত্যাশীর স্ব প্রচারনা)।

আমরা প্রায়ই একটি ভুল করে ফেলি। আমরা যারা কাজ খুঁজছি তারা নিজেদের বর্তমান সমস্যার কথা অকপটে নির্ধিধায় বলে ফেলি যা একজন কাজদাতা কখনও করেন না। কাজদাতার অসংখ্য সমস্যা যেমন তিনি হয়তো ঠিকভাবে তার-

  • প্রতিষ্ঠানকে প্রচার করতে পারছেন না
  • শ্রমিকদের ব্যবস্থাপনা করতে পারছেন
  • পন্য বিক্রয় করতে পারছেন না
  • পন্য বা সেবা বিপনন হচ্ছে না
  • মানব সম্পদ উন্নয়ন হচ্ছে না
  • প্রযুক্তিগত উন্নয়ন হচ্ছে না
  • সিস্টেমকে উন্নয়ন করতে পারছেন না
  • আর্থিক ব্যবস্থাপনা ঠিকভাবে হচ্ছে না
  • স্বপ্নকে বাস্তব রুপ দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
  • পন্য বা সেবা প্রস্তুত করতে পারছেন না
  • সাপ্লাই চেইন ঠিকভাবে চলছে না।

এরকম আরো কত শত সমস্যার ভেতর দিয়ে একজন কাজদাতা প্রতিদিন যাচ্ছেন কিন্তু কাউকে তিনি বুঝতে দিচ্ছেন না। এমন একটি রুপ ধারন করে আছেন যে তার প্রয়োজনের চেয়ে কাজ প্রত্যাশীর প্রয়োজন বেশী। কাজদাতারা যেহেতু নিজেই নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না তাই তারা হন্যে হয়ে খোঁজার চেষ্টা করেন কে আছে যে তাদের সমস্যার সমাধান করে দেবে। আশাকরি এ পর্যন্ত যা লিখেছি তার মাধ্যমে পরিষ্কার হয়েছে যে কেন কাজ খুঁজতে গিয়ে নিজেদের সমস্যা বা অভাবের কথা বলবো না। কাজ প্রত্যাশী ‍হিসেবে আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে আপনি কোন সমস্যাটির সহজ সমাধান দিতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী নিজেকে প্রচার করুন। দেখবেন কাজদাতারা আপনার পেছনে লাইন ধরে বসে আছেন এবং আপনি ঠিক করতে পারছেন না কার সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হবেন। তবে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন কোনভাবেই যেন অহংকার, আত্মগর্ব বা সমালোচনায় নিজেকে জড়িয়ে না ফেলেন। কারন এ ধরনের শব্দের কাছে হিমালয়ও পানির মতো নরম।

_____ _____ ______ _____ _____ _____ _______

লেখক: কে এম হাসান রিপন, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট (বিএসডিআই) | ইমেইল: [email protected]